সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ হাই কমিশনের নতুন নিয়ম, এ যেন আইপিএ প্রত্যাশিদের মরার উপর খাড়ার ঘা

0
25

সিঙ্গাপুর শ্রমবাজারে হাইকমিশনার এনেছে কিছু নতুন নিয়মাবলী যা অতিরিক্ত ঝামেলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে বাংলাদেশী শ্রমিকদের। নতুন করে IPA করে সিঙ্গাপুর প্রবেশ করতে IPA সত্যায়িত করা এবং সাথে ১২ ডলার প্রদান করতে সংশ্লিষ্ট কর্মী এবং কোম্পানিগুলোকে অনেকটা অসুবিধায় পড়ত হচ্ছে।
তাছাড়া IPA সত্যায়ন করতে এবং ১২ ডলার প্রদান করতে নির্ধারিত যে সময়সীমা দেওয়া আছে তাতে লম্বা লাইনে দাড়িয়ে দীর্ঘতম সময় অতিবাহিত করতে হবে হয়তো। এমনিতেই বাংলাদেশ থেকে নতুন শ্রমিক নিয়োগ করতে, সিঙ্গাপুর মিনিষ্ট্রি অফ ম্যান পাওয়ার থেকে অধিকাংশ লোকের পাসপোর্ট প্রত্যাখ্যাত (রিজক্টেড) দেখায় তারমধ্যে এমন নতুন নিয়মাবলীতে সিঙ্গাপুরের ছোটখাটো কম্পানিগুলো বাংলাদেশী শ্রমিক নিয়োগে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে এবং দেখাবে। এ যেন আইপিএ প্রত্যাশিদের কাছে মরার উপর খাড়ার ঘা।

IPA সত্যায়িত করা ও ১২ ডলার প্রদান করাটা যদি অনলাইন ভিত্তিক হতো তবুও কিছুটা সমস্যা কম হতো। সিঙ্গাপুর বিশ্বের ব্যস্ততম শহরে কেউ, কারো বন্ধুর সহযোগিতার জন্যও দিনের কাজের সময় এম্বাসিতে ( দূতাবাস) গিয়ে অর্ধদিন ব্যয় করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে।
পৃথিবীর ডিজিটাল দেশে গুলির মধ্যে সিঙ্গাপুর অন্যতম ডিজিটাল দেশ। এদেশে সকল অফিস আদালত কিংবা সমস্ত কম্পানি সময় বাঁচাতে অনলাইনে সকল কাজ তথা আইপিএ আবেদন করে সাথে এবং অন্যান্য যাবতীয় বিষয় অনলাইনে সংশোধন করে থাকে কিন্তু এখন অনলাইন বিহীন বাংলাদেশী IPA সত্যায়ন করতে তারা বিরক্তিকর বোধ করবে হয়তো এবং অন্য দেশের শ্রমিক নিয়োগে বেশি শরণাপন্ন হবে। এতে করে বাংলাদেশের শ্রমিক আনতে আগ্রহ কমিয়ে দিবে।

যদিও এমন নিয়মাবলী সরকার ও হাইকমিশনার তাদের সুবিধার্থে করেছে কিন্তু রেমিট্যান্স সৈনিক তথা শ্রমিকরা যে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে তা সরকার কিংবা হাইকমিশনার কেউ উপলব্ধি করছে না।
অতএব, এমন নিয়ম পরিহার করে, বাংলাদেশী শ্রমিকরা যেন সহজ পন্থা অবলম্বন করে সিঙ্গাপুর প্রবেশ করতে পারে এমন একটি সুন্দর নিয়ম প্রবাসীদের বিশেষ করে সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের উপহার দেন, সিঙ্গাপুরের আমাদের হাই কমিশনার এবং সরকারের নিকট এটি আমাদের প্রত্যাশা।
নূরুল আলম এন এ(সিঙ্গাপুর প্রবাসী)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here