স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক সংলাপ অনুষ্ঠিত

সন্দ্বীপে সরকারী পরিষেবার কার্যকারিতায়
স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক সংলাপ অনুষ্ঠিত

সন্দ্বীপে গনতান্ত্রিক সু-শাসনে জনসম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহন প্রকল্পের কমিউনিটি পর্যায়ে সরকারী পরিষেবার কার্যকারিতায় স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ ১৩ ডিসেম্বর

সকাল ১০ ঘটিকায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংলাপে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিদর্শী সম্বৌধী চাকমা।

সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহজাহান বিএ।বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দীন মিশন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা ডাঃ ফজলুল করিম।

জেলা নেটওয়ার্কিং কমিটির সাধারন সম্পাদক ইলিয়াছ কামাল বাবুর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসডিআই সন্দ্বীপ অঞ্চলের ব্যবস্থাপক সাইদুর রহমান এবং গনতান্ত্রিক সু-শাসনে জনসম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহন প্রকল্প ও সংলাপের উদ্দেশ্য বর্ননা করে বক্তব্য রাখেন রিকল প্রজেক্টের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর বাদল রায় স্বাধীন।

এরপর স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে সামাজিক নিরীক্ষার প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন জেলা নেটওয়ার্কিং কমিটির সভাপতি ফাতেমা বেগম।

এবং স্বাস্থ্যসেবা গ্রহীতাদের মধ্যে সেবা প্রাপ্তির সমস্যা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন তথ্য প্রদানকারী সেবা গ্রহীতা মনোয়ারা বেগম,কুলছুমা বেগম ও পুর্নিমা রানী শীল। এছাড়াও প্রতিবেদনের উপর ও স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধিকল্পে সুপারিশ ও পরামর্শ মুলক আলোচনায় অংশ নেন প্রেসক্লাব সভাপতি রহিম মোহাম্মদ,প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন,রহমতপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াছ খাঁন, আজিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ,মাষ্টার মোঃ ইসমাঈল হোসেন প্রমুখ।

সভায় প্রধান অতিথি বলেন স্বাস্থ্যখাতে প্রধানমন্ত্রী সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রার আলোকে স্বাস্থ্যখাতকে অগ্রাধীকার খাত হিসেবে গ্রহন করেছেন এবং বিগত আওয়ামীলিগ সরকারের অামলে ১৮০০০ কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছেন। তবে স্বাস্থ্যখাতে নিয়োগ প্রাপ্তরা কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাসপাতালে রুগী দেখার চেয়ে চিকিৎসা বানিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকেন এবং প্রাইভেট ক্লিনিকে বেশী সময় দেন। এজন্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের কাকে কোথায় পোস্টিং দেয়া হচ্ছে তার তালিকা প্রদান করবেন এবং কেউ অনৈতিক ভাবে বদলীর জন্য তদবীর করলে তাকে অপদস্থ হয়ে বিদায় নিতে হবে।এছাড়াও প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিকে হেল্থ প্রোভাইডার সপ্তাহে প্রতিদিন,স্বাস্থ্য সহকারী সপ্তাহে তিনদিন, পরিবার পরিকল্পনা সহায়িকা তিনদিন বাধ্যতা মুলক বসতে হবে। এবং ক্লিনিক গুলোর অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রকল্প জমা দিয়ে বাউন্ডারি নির্মান, বসার সু-ব্যবস্থা ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে। হাজিরা নিশ্চিতের জন্য বায়োমেট্রিকস হাজিরার প্রচলন করতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here